কেশবপুরে করোনার সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে বাল্যবিয়ে




কেশবপুরে বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের মধ্যেও চলছে বাল্য বিয়ে, কোন ভাবেই থামানো যাচ্ছে না এই বাল্য বিয়ের মহামারি।

উপজেলা প্রশাসনের কঠোর নজরদারী, জেল জরিমানার পরও প্রতিনিয়তই চলছে বাল্য বিয়ের মহা উৎসব। তবে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান চলমান রয়েছেন। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ইরুফা সুলতানা বলেন, করোনা ভাইরাস থেকে মানুষকে সর্তক করতে ৬ জুলাই (সোমবার) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যায়। এ সময় জানতে পারি, উপজেলার পরচক্রা গ্রামের মধুর ছেলে সোহেল রানা (২৪) এর সাথে বুড়িহাটি গ্রামের শফিকুল ইসলামের মেয়ে ফিরোজা খাতুন (১৩)কে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফিরোজা খাতুন বুড়িহাটি দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। সেখানে উপস্থিত হওয়ার পর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে এ অপরাধের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরও বলেন, ৭ জুলাই উপজেলার জাহানপুর গ্রামের ইরফান আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন (২২) এর সাথে কন্দবপুর গ্রামের আলীম হোসেনের মেয়ে বৃষ্টির (১৪) বাল্যবিবাহ হয়েছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়।

এ সময় বাল্য বিবাহের অপরাধে ছেলের মা মোমেনা বেগমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং ছেলে ও মেয়ে উভয়ই অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত দু’জনই পৃথক থাকবে এ মর্মে মুচলেকাও নেওয়া হয়। এবিষয়ে উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভুমি) ইরুফা সুলতানা বলেন বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। এবং বাল্যবিয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট যেই হোক তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রভাতী নিউজ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।