ঠাকুরগাঁও গড়েয়ায় গরুর হাটে সামাজিক দুরত্বের বালাই নেই




করোনা ভাইরাস সংক্রমণের মধ্যেও রবিবার ২৬ জুলাই ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া বাজারে সাপ্তাহে দুইদিন গরুর হাট বসে।

উপজেলার ঐতিহ্যবাহী এ হাটে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চলে কেনাবেচা।

সপ্তাহের প্রতি রবিবার ও বুধবার এ হাট বসে আসছে। এ হাটে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্য বিধি। মাস্ক ব্যবহার করছেন না অধিকাংশ ক্রেতা-বিক্রেতা। হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিংবা জীবানুনাশক স্প্রে পর্যন্ত ব্যবহারের ব্যবস্থা দেখা যায়নি এ হাটে। এ অবস্থায় গড়েয়া গরুর হাট করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

রবিবার সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত বাজার গরুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, মাস্ক ছাড়াই ক্রেতা সাধারণ গরু কিনতে ঘুরাঘুরি করছেন। অনেক বিক্রেতাই ব্যবহার করছেন না মাস্ক। গাদাগাদি করে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে গরু কেনাবেচার ধুম পড়েছে এ হাটে। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার লেশমাত্র দেখা যায়নি হাটের কোথাও। গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে কেনাকাটায় ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের। স্বাস্থ্য বিধি মানার কোনো বালাই ছিল না এ হাটে।

আবার স্বেচ্ছাসেবক কোনো টিম না থাকায় স্বাস্থ্য বিধি মানার জন্য দিক-নির্দেশনাও দিতে দেখা যায়নি কাউকে। এমনকি হাটের ইজারাদারের পক্ষ থেকেও স্বাস্থ্য বিধি এবং সামাজিক দুরত্ব মানার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ও কিছুক্ষন পর পর মাইক দিয়ে সাস্থ্য বিধি মেনে চলার নির্দেশ দিলেই মানছে না কেউ।

এমন পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণে ঝুঁকির মধ্যেই সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এ কেনাবেচা চলে এই হাটে।

একজন ক্রেতাকে মাস্ক ছাড়াই হাটের সর্বত্র ঘুরাঘুরি করতে দেখা যায়। এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে ঐ ক্রেতা বলেন, মাস্ক পকেটে আছে। প্রচন্ড গরম সহ্য করতে না পেরে মুখের মাস্ক পকেটে রেখে দিয়েছি।

আর একজন বিক্রেতা বলেন, করোনার জন্য জীবন থেমে থাকবে না। আল্লাহ যদি মৃত্যু লিখে থাকনে, তবে মৃত্যু হবেই। মাস্ক আছে আমার পকেটে। ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ের কারনে প্রচন্ড গরম। তাই মুখে মাস্ক পড়তে কষ্ট হওয়ায় পকেটে রেখেছি।

গড়েয়া গরুর হাটের ইজারাদার বলেন, মাইকের মাধ্যমে হাটে সমাগম ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাস্থ্য বিধি মেনে কেনাবেচা করতে বলা হয়েছে। আমরা সাধ্যমত চেষ্টা করে আসছি যাতে ক্রেতা-বিক্রেতা সকলেই সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে কেনাবেচা করে।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রভাতী নিউজ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।