নন্দীগ্রামে মৎস্য অফিসের নাকের ডগায় অবাধে চলছে কারেন্ট জাল বিক্রি




বগুড়ার নন্দীগ্রামে মৎস্য সপ্তাহের মধ্যেই মৎস্য অফিসের নাকের ডগায় বিভিন্ন হাট বাজারে চলছে অবাধে অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রি। অবৈধ কারেন্ট জালে সয়লাব হয়ে গেছে বাজার। এতে করে ধ্বংস হচ্ছে দেশী প্রজাতির বিভিন্ন জাতের মাছ। অনুসন্ধানে গিয়ে জানাযায়, উপজেলার রনবাঘা, ওমরপুর, কুন্দারহাট, নন্দীগ্রাম সদর, চাকলমা, কড়ইহাট সহ বিভিন্ন হাট বাজারে মৎস্য অফিসের নাকের ডগায় এসব অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রয় হচ্ছে। এতেকরে প্রাকৃতিক পরিবেশ ও মাছের অভয়ারণ্য নষ্ট হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্নস্থানে হাত বাড়ালেই হাতের নাগালে মিলছে এসব কারেন্ট জাল।

এদিকে গত ২১শে জুলাই থেকে শুরু হয়েছে মৎস্য সপ্তাহ। আর এরই মধ্যে যেখানে সেখানে পাওয়া যাচ্ছে এসব কারেন্ট জাল। অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রয় রোধে মৎস্য অফিসের অভিযান দুরের কথা এখনও তেমন কোন ভূমিকা চোখে পড়েনি। সচেতন মহল অভিযোগ তুলেছে মৎস্য অফিসের নজরদারির অভাবে এসব কারেন্ট জাল বিক্রয় হচ্ছে। মাছের লোভে নষ্ট হচ্ছে মৎস্য অভয়ারণ্য। বিলিন হচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ। এছাড়াও কারেন্ট জাল ধানের জমিতে ফেলানোর কারনে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের ফসল। সাধারন জনগন প্রশ্ন তুলে বলছে, নন্দীগ্রামে মৎস্য অফিস থাকার পরেও এসব অবৈধ কারেন্টজাল ব্যবসায়ীরা কিভাবে বিভিন্ন হাট বাজারে অবাধে বিক্রয় করছে কারেন্ট জাল। হাটবাজারে এভাবে অবাধে যদি কারেন্ট জাল বিক্রয় হয় তাহলে মৎস্য অফিসের ভূমিকা কি।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য অফিসার মো: ফেরদৌস আলী জানান, অবৈধ কারেন্ট জালের বিক্রয় রোধে বিভিন্ন হাটবাজরে অভিযান চালানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রভাতী নিউজ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।