পোরশায় আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষক

পোরশায় আমন চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষক




নওগাঁর পোরশায় আমন ধান চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নেমে পড়েছেন কৃষকরা। এখন জমি চাষাবাদ আর চারা রোপনে ব্যাস্ত সময় পার করছেন তারা। শ্রাবণের বর্ষায় আকাশের ভারী বর্ষন পেয়ে আমন চাষাবাদের এই ভরা মৌসুমে বুক ভরা আশা নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছেন চাষীরা।

পোরশা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ১৬হাজার ৬৫০হেক্টর আবাদী জমিতে আমন ধান চাষাবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় স্বর্না-৫ জাতের ধানের উৎপাদন বেশি হবে। এবং স্বর্ণা-৫ জাতের ধান পোরশা উপজেলায় গত কয়েক বছর থেকেই চাষ হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, চলতি বছর বর্ষার শুরু থেকে আকাশের পর্যাপ্ত বৃষ্ঠিপাত হওয়ায় কৃষকরা সময়মত বীজ রোপন করেছিলেন। শ্রাবণে আকাশের ভারীবর্ষন হওয়ার পর থেকে চাষীরা জমি তৈরি করার কাজ ও চারা রোপনের কাজ করছেন। বর্তমানে মাঠের পর মাঠ জুড়ে কৃষকরা ধান রোপনের কাজে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছেন। খুব দ্রæত আমন চারা রোপনের কাজ শেষ হবে বলে কৃষকরা জানান।

উপজেলার কালিনগর গ্রামের কৃষক মাসুদ রানা, নোনাহার গ্রামের কৃষক আবুল কালাম শাহ ও সহড়ন্দ গ্রামের কৃষক ফরহাদ হোসেনের সাথে কথা বলে জানা গেছে, জমিতে চারা রোপন চলছে। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই তাদের সকল জমিতে আমনের চারা রোপন করা শেষ হবে বলে জানান তারা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাহফুজ আলম জানান, ব্রি ধান ৪৯, ৫১, ৫২, ৭১, ৭৫ ও ৮৭ জাতের ধান পরিচিতি, প্রচার ও প্রসার এবং অধিকহারে চাষাবাদের জন্য কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে। তবে ইতোমধ্যে ব্রি ৫১ ও ৭১ জাতের ধান পোরশা উপজেলার কৃষকদের মধ্যে ভাল পরিচিতি পেয়েছে। তবে ব্রি-৭১ জাতের ধান খরা সহনশীল। তাই পোরশার বরেন্দ্র অঞ্চলের মাটির জন্য ব্রি-৭১জাতের ধান চাষ উপযোগী বলে তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রভাতী নিউজ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।