কেশবপুরে সরকারি ইজারা ছাড়া ২বছর ধরে চলছে সাতবাড়ীয়া অবৈধ পশুহাট




কেশবপুরে ২০১৮ সাল থেকে চলে আসছে কেশবপুর উপজেলার ১০নং সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের পশুহাট। দুই বছরেও বেশি সময় ধরে চলে আসা এ লো হাটের কারনে কেশবপুর পৌর পশু হাট ও সরষকাটি পশু হাট লোকসানে পড়েছে। একে মহামারী করোনার কারনে পশু আছে তো ক্রেতা নাই, তারপর কেশবপুর থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে বসছে অবৈধ পশু হাট। যেখানে খাজনার পরিমান কম থাকায় বেড়েছে পশুর ক্রেতা ও বিক্রেতা। এ বিষয়ে অভিযোগ করেন কেশবপুর পৌর পশু হাটের মালিক আবুল কালাম আজাদ।

তিনি অভিযোগ করেন এই হাটটি যশোরের কেশবপুর উপজেলার ১০নং সাতবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের এক চেয়ারম্যান ২০১৮ সালে শুভ উদ্বোধন করেন।

তিনি আরো জানান অবৈধভাবে গড়ে তোলা পশুহাটটি বসে সপ্তাহে দু’দিন শনি ও মঙ্গলবার।

অবৈধ পশুহাট কমিটি তাদের নিজস্ব তৈরীকৃত রশিদের মাধ্যমে হাটে উঠানো বিক্রীত গরুপ্রতি ৩০০ (তিনশত) টাকা ও ছাগল প্রতি ২০০ (দুইশত) টাকা নিয়ে থাকেন।

গত শনিবার সরেজমিনে পশুহাটটিতে ঘুরে দেখা যায় আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে হাটটিতে শত-শত পশু উঠেছে। দূর-দূরান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা, ক্ষেতেল ও উৎসুক জনতারা এ পশুহাটে এসেছেন।

দীর্ঘদিন যাবৎ চলমান সাতবাড়ীয়ায় গড়ে তোলা অবৈধ পশুহাটটির কারণে সরকারের কাছ থেকে টেন্ডারের মাধ্যমে ইজারা নেওয়া কেশবপুরের পৌরসভার পশুহাট, সরসকাটি বাজারের (বরণডালী) পশুহাট ও চিংড়া বাজারের পশুহাটের মালিকরা পথে বসতে চলেছে।

অপর দিকে এ পশুহাটের পাশ সিলিপে দেওয়া মোবাইল নং 01822804490 এ কল করে জানান তিনি অসিম। তিনি বলেন এই হাটটি নতুন তাই সরকারের কাছ থেকে ইজারা নেওয়া না। তিনি জানান হাটের জন্য জমি ক্রয় ও রাস্তা তৈরি করেছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রভাতী নিউজ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।