গোদাগাড়ীতে ধর্ষণ ও আত্মহত্যা ঘটনায় মূল হোতা মফিজুল আটক হয়নি




রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ধর্ষণ ও আত্মহত্যা ঘটনার মূল হোতা মফিজুল আটক হয়নি। মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দেয়া হচ্ছে।স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানাযায় ১০ সেপ্টম্বর(বুধবার দিবাগত রাত) উপজেলা কাকনহাট পৌর এলাকার ঘিয়াপুকুর গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে মফিজুল ইসলাম দুই সন্তানের মা সখিনা বেগমের ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় ওই গৃহবধূর চিৎকারে প্রতিবেশী আকবর আলী ও মেরাজুল ইসলাম মফিজুলকে ধরে কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশুর কাছে নিয়ে যান। কিন্তু কাউন্সিলর রাতেই মফিজুলকে ছেড়ে দেন। এরপর ক্ষোভে রাতেই ওই গৃহবধূ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। সখিনা বেগম ঘিয়াপুকুর গ্রামের কামাল হোসেনের স্ত্রী। ঘটনার সময় কামাল চাকরির সুবাদে চট্রগ্রামে ছিল। এ ঘটনায় ওইদিন সখিনার পিতা মমতাজ উদ্দীন বাদী হয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে পৌর কাউন্সিলরসহ তিনজনকে আটক করে।আটককৃতরা হলেন-কাঁকনহাট পৌরসভার এক নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর লুৎফর রহমান বিশু, আকবর আলী, মেরাজুল ইসলাম প্রত্যেকের বাড়ি ঘিয়াপুকুর মহল্লায়। গ্রেপ্তার তিনজনকে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর বুধবার রাতে কাউন্সিলর মফিজুল ইসলামকে ছেড়ে দেয়ার পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়েছেন।

কাকনহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক আবদুল লতিফ বলেন, পুলিশকে না জানিয়ে ধর্ষণে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়ার কারণে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। সে কারণে পৌর কাউন্সিলরসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আপাতত তাদের ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার মূলহোতা মফিজুলকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নিহত সখিনার স্বামী কামাল হোসেন জানান মামলা তুলে নিতে তাকে আসামী পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে।এ প্রসঙ্গে গোদাগাড়ী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) খাইরুল ইসলাম বলেন,হুমকি বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়নি।সখিনা বেগম ধর্ষণ ও আত্মহত্যা মামলাটি সর্বর্চ্চ গুরত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রভাতী নিউজ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।