আটঘরিয়ায় হাঁসপালনে সাফল্য অর্জন নারী সখিনা

মাসুদ রানা, আটঘরিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:মাসুদ রানা, আটঘরিয়া (পাবনা) প্রতিনিধি:
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৮:০৪ অপরাহ্ণ, ০৭ ডিসেম্বর ২০২০




নাম সখিনা। সংসারের কাজ কমের্র পাশাপাশি হাঁস পালনের সখ জাগে তার। প্রথমে ১০/১৫টি হাঁসের বাচ্চা নিয়ে বাড়ীর আঙ্গিনায় শুরু করেন হাঁস পালন। এর পর ধীরে ধীরে তার মনে জাগে বড় পরিসরে হাঁস পালনের সখ। নিজের কোনো জমিজমা না থাকলেও পাশে খালবিলে তিনি হাঁস পালন শুরু করেন। এভাবেই বর্তমানে সখিনা খাতুন ১ হাজার হাঁসের একটি খামার গড়ে তোলেছেন নিজ বাড়ীতে। উপজেলার কাকমারী বাধপাড়া গ্রামের সখিনা হাঁস পালন করে এলাকার ব্যাপক আলাড়ন সৃষ্টি করেছেন। তার খামার দেখতে প্রায়ই লোকের ভিড় দেখা যাচ্ছে।

সরজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, মাস ছয়েক আগে তিনি মান্নান নগর হ্যাচাড়ী থেকে ৫শ হাঁসের বাচ্চা নিয়ে একটি খামার শুরু করেন। বর্তমানে তার খামারে ১ হাজার হাঁস রয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব হাঁসে ডিম দিতে শুরু করেছেন। তিনি নিজে ও ছেলে খামারে হাঁস দেখা শুনা করেন। তার দেখা দেখি ওই এলাকার অনেক পরিবার হাসের খামার গড়ার জন্য পরামর্শ নিচ্ছেন।

খামারী সখিনা খাতুন বলেন, আমি প্রথমে ৫শ হাঁসের বাচ্চা দিয়ে ছোট পরিসরে একটি খামার গড়ি। সেই থেকে বর্তমানে আমার খামারে কেমবেল জাতের হাঁস আছে। বর্তমানে এই হাঁস ডিম দেওয়া শুরু করেছে। প্রতিদিন ৪শ থেকে সাড়ে ৪শ ডিম দিচ্ছে। এতে আমার খরচবাদে ভালো টাকা লাভ হচ্ছে বলে তিনি জানান। বর্তমানে হাঁসের খাবারের দাম কর্ম, ওষধ কর্ম লাগে। তাই আমি হাঁস পালনে আগ্রহী হয়েছি। তিনি আশা করেন আমার এই হাঁসপালন দেখে এলাকার অনেক ছোট বড় পরিবার হাঁসের খামার গড়ে তুলেছেন। তবে কেউ যদি আমার কাছে হাঁস পালন বিষয়ে পরামর্শ নিতে চাইলে তাদেরকে আমি এবিষয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রভাতী নিউজ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।