রাজাপুরে খাল দখল মুক্ত করে পুনঃখননের দাবীতে মানববন্ধন

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:৩৬ অপরাহ্ণ, ০৩ জানুয়ারি ২০২১
রাজাপুরে খাল দখল মুক্ত করে পুনঃখননের দাবীতে মানববন্ধন




ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা সদরের মধ্য থেকে প্রবাহমান খালটি দখল মুক্ত করে পুনঃখননের দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। রবিবার বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা পরিষদ চত্ত¡রে দুর্নীতি প্রতিরোধ মঞ্চের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেনের কাছে স্বারক লিপি দেন আন্দোলনকারীরা।

জানা গেছে, উপজেলা সদরের বাজারের পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে বাইপাস থেকে খালটি জাঙ্গালিয়া নদীর সাথে সংযুক্ত হয়েছে। এই খালটি বর্ষা মৌসুমে উপজেলা সদরের বাসিন্দাদের জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা করে। অথচ উপজেলা সদরের ভেতর থেকে প্রবাহিত খালটির অধিকাংশ জায়গাই প্রভাবশালীরা দখল করে নিয়েছেন। তাই বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থেকে বাঁচতে দির্ঘদিন ধরে এই খালিটি দখলমুক্ত করে তা খননের দাবি করে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি মো. শাহজাহান মোল্লা, রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নিত্যানন্দ সাহা, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) রাজাপুর শাখার চেয়ারম্যান মো. আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ সুমন, রাজাপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মো. মঈনুল হক লিপু মাতুব্বর, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্যসচিব দুলাল তেওয়ারী, সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. আহসান হাবিব রুবেল প্রমূখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সদরের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার শতাধিক বাসিন্দা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উপজেলা সদরের খালটি অবৈধ দখলের কারণে কোন কোন জায়গায় সংকুচিত হয়ে তা নালায় পরিণত হয়েছে। সম্পতি সময়ে উপজেলা সদরের বাজার ও বাইপাস মোড় হয়ে যে খালটি জাঙ্গলিয়া নদীতে মিশেছে সেই খালের দখল হয়ে যাওয়া জমিতেই সড়ক নির্মাণের উদ্দ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। খালের জায়গায় সড়ক নির্মাণ করা হলে তা স্থায়ী রূপ নেবে। তাই সড়ক নির্মাণে আগে উপজেলা সদরের ভেতর থেকে প্রবাহমান খালটি দ্রুত সময়ের মধ্যে দখলমুক্ত করে তা খননের দাবি জানানো হয়। তা না হলে কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেন বক্তারা।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রভাতী নিউজ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।