ঝালকাঠিতে ধর্ষণ মামলার আসামী-ভিকটিম’র বিয়ে

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:৫০ অপরাহ্ণ, ১৭ জানুয়ারি ২০২১
ঝালকাঠিতে ধর্ষণ মামলার আসামী-ভিকটিম’র বিয়ে




ঝালকাঠিতে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার আসামীর সাথে ভিকটিম তরুণীর বিয়ের শর্তে ধর্ষকের জামিন মঞ্জুর করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শহিদুল্লাহ। রোববার জামিন শুনানীর নির্ধারিত দিনে আদালতে বাদী এবং আসামী উপস্থিত হলে জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ বরপক্ষের অনুরোধে উভয় পক্ষকে বিয়ের শর্তে স্থায়ী জামিনের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে উভয় পক্ষ রাজি হলে জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ’র নির্দেশে রোববার দুপুরে দুইপক্ষের উপস্থিতে বিয়ে পড়ান কাজী মাওলানা মোঃ সৈয়দ বশির। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউট (পিপি) এবং বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনাকারী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান রসুল ও আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন কবীর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এ বিয়ের বর হলেন সদর উপজেলার বৈদারাপুর গ্রামের মহিদুল ইসলাম আর কনে হলেন চরভাটারাকান্দা গ্রামের আয়শা আক্তার। বিয়ের পর আসামী বর মহিদুলের জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক মো. শহিদুল্লাহ ।

পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল মান্নান রসুল জানান, ৩বছর পূর্বে ঝালকাঠি সদর উপজেলার চরভাটারাকান্দা গ্রামের গ্রামের আয়শা আক্তারকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ভিকটিমের মা লাকি বেগম বাদী হয়ে একটি নালিশী মামলা দায়ের করে। মামলা দায়েরের পর থেকে আসামী পলাতক ছিলো।

রোববার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসামীর জামিন শুনানীর সময় আসামী পক্ষ ভিকটিমকে বিবাহের আগ্রহ প্রকাশ করলে এবং নির্যাতিত পক্ষও প্রস্তাবে রাজি হলে বিচারক মো. শহিদুল্লাহ আদালতের মধ্যেই ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে বিবাহের নির্দেশ দেন। আদালত চত্বরে আসামী, ভিকটিম ও উভয়পক্ষের আইনজীবীদের উপস্থিতিতে বিবাহ সম্পন্ন হয় । বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আদালতে কাগজপত্র জমা দিলে শুনানী শেষে আসামীর জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রভাতী নিউজ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।