ঝালকাঠির জেলা প্রশাসককে আদালতের কারণ দর্শানোর আদেশ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি:ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৭:২৯ অপরাহ্ণ, ০৪ মার্চ ২০২১
ঝালকাঠির জেলা প্রশাসককে আদালতের কারণ দর্শানোর আদেশ




অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনালের রায় বাস্তবায়ন না করায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলীকে কারণ দর্শানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার বিকেলে এ আদেশ দেন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. সাইফুল আলম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রুস্তম আলী।

রায়ের ডিক্রি অনুযায়ী অর্পিত সম্পত্তির তালিকা হতে অবমুক্ত করে রেকর্ড করে না দেয়ায় সংক্ষুদ্ধ হয়ে জনৈক আবদুর রাজ্জাকের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে অদালতের বিচারক এ আদেশ দেন। কেন জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবেনা তৎমর্মে বিজ্ঞ ভিপি কৌশলীর মাধ্যমে আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে লিখিত ব্যাখা দিতে আদেশে বলা হয়েছে।

ঝালকাঠি অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায় , অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ অতিরিক্ত ট্রাইব্যুনাল হতে ২০১৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি আবদুর রাজ্জাক গং (বাদী পক্ষ) ৫ একর ৩৮ শতাংশ সম্পত্তি অবমুক্তকরণের রায় প্রাপ্ত হন। রায়ের ডিক্রি অনুযায়ী বাদী পক্ষ ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর ও ২ নভেম্বর ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক বরাবর বিজ্ঞ ট্রাব্যুনালের রায় বাস্তবায়নের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ জেলা প্রশাসক রায় বাস্তবায়নের জন্য কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। ফলে বাদী পক্ষ সংক্ষুদ্ধ হয়ে বিজ্ঞ ট্রাইব্যুনাল বরাবর অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ২০০১ এর ৩২ (গ) ধারা মোতাবেক প্রতিপক্ষ জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করেন। এ ধারায় বলা আছে আপীল ট্রাইব্যুনালের কোন নির্দেশ বা ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক প্রদত্ত নির্দেশ লংঘন করিলে তিনি অনধিক ৭ (সাত) বৎসরের কারাদন্ড বা অনধিক এক লাখ টাকা অর্থদন্ডে বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হবেন। বাদী পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মুহা. মাহবুব আলম কবীর। অপর দিকে ভিপি কৌশলী ছিলেন , মীর রফিকুল ইসলাম আজম।

ভিপি কৌশলী ও বিজ্ঞ জিপি আইনজীবী মীর রফিকুল ইসলাম আজম বলেন , জেলা প্রশাসন অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনাল আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য আন্তরিক ভাবে ভিপি তালিকা থেকে অবমুক্তকরণের কাজ করছে। জেলা প্রশাসক আইনের প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল।

আপনার মতামত লিখুন :

প্রভাতী নিউজ সব ধরনের আলোচনা-সমালোচনা সাদরে গ্রহণ ও উৎসাহিত করে। অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পরিহার করুন। এটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।