নারী সংরক্ষিত আসনে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন রাজবাড়ীর লিপি ফারজানা

ইসমাইল আহমেদ টিপু: ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি সরকার বিপুল সংখ্যক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছে।নারী সংরক্ষিত আসনেও যেনো নারীরা কেউ পিছিয়ে নেই।

গত শুক্রবার ৩৬ আসনের জন্য নারী সংরক্ষিত আসনে মোট ফরম কিনেছেন ৫৪৪ টি।এর মধ্যে আলোচনার শীর্ষে যে কয়েকজন রয়েছেন তার মধ্যে রাজবাড়ী লিপি ফারজানা অন্যতম।

১৯৯৫ সালে মামাতো ভাই ফারুক ফকিরের হাত ধরে ছাত্ররাজনীতিতে পদার্পন করেন তিনি।ফারজানা ইয়ামিন লিপির রয়েছে দীর্ঘ রাজনীতির অভিজ্ঞতা।

পদ সমূহ 

১--সহ পাঠাগার সম্পাদক 

কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদ। 

২--সদস্য ( যুগ্ম সাধারণ  সম্পাদক পদমর্যাদায়) ও লাইব্রেরীয়ান

জিয়া স্মৃতি পাঠাগার

২৮/১ ভিআইপি রোড 

নয়া পল্টন 

বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়।

৩--- সাবেক সমাজকল্যাণ  সম্পাদক 

জিয়া স্মৃতি পাঠাগার

৪- সাবেক সদস্য  

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ, (( টুকু  - আলিম )কমিটি

৫---সাবেক সদস্য

জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদ (( জুয়েল -- হাবিব )

৬ ---সাবেক সহ-সভাপতি  রাজবাড়ি জেলা ছাত্রদল

( টিটু  -- লিখন )

৭---সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা

রাজবাড়ি জেলা ছাত্রদল, ( ডিউক - ফরিদ)

৮--সাবেক সদস্য 

আহবায়ক কমিটি রাজবাড়ি জেলা ছাত্রদল, ( রইচ উদ্দিন, ডিউক )। 

 ৯--সাবেক সদস্য

 আহবায়ক কমিটি, রাজবাড়ি জেলা ছাত্রদল ( এম এ মজিদ বিশ্বাস ) 

১০--সাবেক আহবায়ক ( মেয়েদের)

রাজবাড়ি সরকারী কলেজ ছাত্রদল,

১১--আহবায়ক ক্লাস কমিটি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী)

রাজবাড়ি সরকারী কলেজ ছাত্রদল।

দীর্ঘ ১ যুগের অধিক সময় ধরে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ৬ তলায় পাঠাগারের দায়িত্বে রয়েছেন।পাঠাগারের দায়িত্বে থাকার কারনে তৃনমূল থেকে কেন্দ্রীয় সকল নেতাদের সাথে তার গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠে।

বিগত আন্দোলন সংগ্রামে অসংখ্য হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন তিনি।পার্টি অফিস থেকে বেশ কয়েকবার তার মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

মৃত্যুর হুমকী পেয়েও কখনো পিছপা হোন নি সাহসী এ নেত্রী।

দীর্ঘ রাজনীতির ত্যাগ ও সকলের কাছে সুপরিচিত থাকায় বিভিন্ন মহল থেকে শুভ কামনায় ভাসছেন সকলের প্রিয় রাজবাড়ির এই অগ্নিকন্যা।

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই

প্রথম মন্তব্য করার জন্য আপনাকে স্বাগতম!