রিয়াজুল আফজাল গিলে খাচ্ছে বি আর টিএ মেট্রো সার্কেল ১

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মিরপুর বি আর টিএ যেন দালালের আখড়ায় পরিনত হয়েছে।প্রকাশেই  দালালেরা অফিসারের সাথে মিলেমিশে  মালিকানা বদলির কাজ করছে।প্রত্যেকটি গাড়ি প্রতি ৬০০০ টাকা অতিরিক্ত নেয়া হচ্ছে।এর মধ্যে ৫০০০ পাচ্ছে অফিসার বাকী টাকা দালালের পকেটে। আবার কোন গাড়ি সামান্য সমস্যা হলে চুক্তিতে যেতে হয়। ৫০ হাজার থেকে লক্ষ টাকা।আর এই টাকার কালেকশন ম্যান হিসেবে রাখা হয়েছে বনী নামে এল ব্যক্তিকে। তার কাজ সকাল থেকে দালালদের টাকা কালেকশন করা।অনুসন্ধানে জানা গেছে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ গাড়ি প্রতিদিন মালিকানা বদলির জন্য আসে মিরপুর বি আর টি এ।প্রায় ৫০০০ করে যদি একটি গাড়ি থেকে নেয়া হয় প্রতিদিন চাঁদার পরিমান দাড়ান ১২ লক্ষ ৫০ হাজার। যা মাসে দাড়ায় ৩ কোটি ৭৫  লক্ষ আর বছরে ৪৫ কোটি।আর এই টাকার ভাগ চলে যায় সকল কমকর্তার পকেটে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন,দালাল ছাড়া কোন ফাইল সাক্ষর করে না আফজাল ও এডি রিয়াজুর এবং বি আর টিএ তে সব গুলো টেবিলেই টাকা ছাড়া কোন কাজ করা হয় না।টাকা না দিলেই বিভিন্ন রকম সমস্যা ধরে ফাইল আটকে রাখা হয়। এছাড়াও রেকর্ড কিপার জুয়েলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। আরো জানা যায় সরকারি অফিসে কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে বেসরকারি লোককে বসিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আরো জানা যায়।মিরপুর বি আর টিএ ইন্সপেক্টর লেভেল থেকে শুরু করে উচ্চ পযার্য়ের কমকর্তারা অর্ধকোটি টাকা দিয়ে এই পদগুলোতে পোস্টিং নেয়।যার কারণে উচ্চ পযার্য়ের কমকর্তাদের মুখে কালো টেপ এবং কাঠের চশমা পরে থাকে।এই সকল বিষয়ে বি আর টিএর বর্তমান চেয়ারম্যান মীর আহমেদ তরীকুল ওমর কে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি। 

মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই

প্রথম মন্তব্য করার জন্য আপনাকে স্বাগতম!